Click This Advertisement

Showing posts with label স্বামী সহবাস. Show all posts
Showing posts with label স্বামী সহবাস. Show all posts

Friday, December 2, 2016

বন্ধ্যত্ব কী? ছেলে না মেয়ে বেশি দায়ী?-What is fertility? Responsible boy or a girl?

সন্তানধারণের অক্ষমতা মানেই বন্ধ্যত্ব। কিন্তু বন্ধ্যত্বের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা একটু ভিন্ন। যদি ১২ মাস ধরে যৌনসঙ্গমের পরও গর্ভসঞ্চার না ঘটে, তাহলে তাকে বন্ধ্যত্ব বলে। ১৫ শতাংশ নারী এ সমস্যায় ভোগেন। এ সমস্যার ৫০ শতাংশের জন্য নারী এবং ৩৫ শতাংশ পুরুষের সমস্যা দায়ী। তাই খুব সহজে বোঝা যায়, বন্ধ্যত্বের জন্য নারী একা নন, পুরুষও (স্বামী) দায়ী।

বন্ধ্যত্ব কী? ছেলে না মেয়ে বেশি দায়ী?

গর্ভধারণের বয়স : গর্ভধারণের ক্ষমতা বা উপযুক্ত সময় বয়সের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সি নারী গর্ভধারণ করতে পারেন। ৩০ বছরের পর গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিপজ্জনক হতে পারে।
বন্ধ্যত্ব কারণ : নারীর (স্ত্রীর) ফ্যালোপিয়ান টিউব, গর্ভাশয় কিংবা ডিম্বাশয়ের সমস্যা হয়। গর্ভধারণ সময়ে অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের কারণেও গর্ভস্থ কন্যা তার পরিণত বয়সে গর্ভধারণে অক্ষম হতে পারে। পুরুষের (স্বামীর) বীর্যে শুক্রাণুর স্বল্পতাও একটি বিশেষ কারণ।
বন্ধ্যত্ব রোগ নির্ণয় : নারীর ক্ষেত্রে মাসিকের ইতিহাস, হরমোন পরীক্ষা, গর্ভধারণ সংশ্লিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে ত্রুটি বের করতে হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে বীর্যে শুক্রাণুর পরিমাণ নির্ধারণ পরীক্ষা করাতে হয়।
বন্ধ্যত্ব চিকিৎসা : ৩৫ বছরের নিচে কোনো নারীর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভসঞ্চার না হলে চিকিৎসকরা বিভিন্নভাবে চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। যেমন ওষুধের মাধ্যমে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুর সচলতা তৈরি করা। কৃত্রিম উপায়ে নারীর গর্ভাশয়ে শুক্রাণু স্থাপন।
ফ্যালোপিয়ান টিউবে কোনো সমস্যা থাকলে সার্জারির মাধ্যমে তা দূর করা। পুরুষের বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা করা। এসব প্রক্রিয়ায় কাজ না হলে আইভিএফের (ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) কথা চিন্তা করতে পারেন। এ পদ্ধতিতে কৃত্রিম উপায়ে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু একত্রে রেখে ডিম্বাণু নিষিক্ত করা হয়। নিষিক্ত ডিম্বাণু নারীর গর্ভাশয়ে স্থাপন করা হয়। তবে এ পদ্ধতি ব্যয়বহুল। তাই চিন্তা-ভাবনা করে এগোতে হবে।
দম্পতির করণীয় : প্রথমে জানা দরকার, মাসের কোন দিনগুলোয় স্ত্রীর সন্তান লাভের সম্ভাবনা বেশি। স্ত্রীর বিশ্রামের সময় দেহের উষ্ণতা অনুভব করে এ সময়টা আন্দাজ করা যায়। ডিম্বাণু পূর্ণতা পেয়ে ডিম্বাশয় থেকে মুক্ত হয়ে যখন গর্ভাশয়ে যায়, তখন নারীর শারীরিক তাপমাত্রা কম থাকে। আবার ২৪ ঘণ্টা পরই তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে জাগার পর দেহের তাপমাত্রা পরিমাপ করে একটি চার্ট তৈরি করে গর্ভসঞ্চারের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা যায়।
এ জন্য থার্মোমিটার ব্যবহার করা যেতে পারে। তাপমাত্রার তারতম্য বুঝে গর্ভসঞ্চারের সম্ভাব্য সময়ে যৌনমিলন ঘটলেই গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে। মনে রাখতে হবে, সাধারণত ডিম্বাণুমুক্তির ৫ দিন আগে থেকে ডিম্বাণুমুক্তির দিন পর্যন্ত যৌনমিলনে গর্ভসঞ্চারের সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়া গর্ভসঞ্চারের সময় নির্ধারণ পদ্ধতি রয়েছে। সাধারণত নারীরা প্রতি মাসে পাঁচ দিন উর্বরা থাকে। এ সময়টি হলো, মাসিক শুরুর ১২ থেকে ১৬ দিন পর্যন্ত। যে নারীর মাসিক নিয়মিত, তাদের ঋতুচক্র ২৮ দিনে হয়। আর ডিম্বাণুমুক্ত হয় ঋতুচক্রের মাঝামাঝি সময়। এ হিসাব থেকেও গর্ভসঞ্চারের সম্ভাব্য সময় বের করা যায়।

আরো অনেকে খুজেছে

    Nari shastho tips bangla; সহবাসের গুন;

Wednesday, November 30, 2016

স্বামীকে সহবাসের আগে যে ১০টি কাজ করতেই হবে – Health BD Tips

সংসার গড়ে ওঠে নারী পুরুষের ভালোবাসাকে উপজীব্য করে। স্বামী হওয়া খুব সহজ, তিনবার কবুল বললেই তা হওয়া যায়। কিন্তু আদর্শ স্বামী হওয়া অনেক কঠিন। সবার মধ্যে আদর্শ স্বামী হওয়ার সে প্রবণতা বা ইচ্ছাও লক্ষ্য করা যায় না।
সম্পূর্ণরুপে বিবস্ত্র মূলত লজ্জাশীলতার পরিচয়। শরীয়তে তা হারাম নয়। ঘর বা রুম বন্ধ থাকলে এবং সেখানে স্বামী-স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ না থাকলে পর্দার দরকার নাই। স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের লেবাস বা পোশাক। উভয়ে উভয়ের সব কিছু দেখতে পারে। মহান আল্লাহ বলেছেন, যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে।
কিন্তু সংসার কোন ছেলেখেলা নয়। এখানে একজন স্বামীকে অবশ্যই ছোট বড় সব বিষয়গুলোর দিকেই নজর রাখতে হবে। ধীরে ধীরে চেষ্টার পরেই হওয়া যায় আদর্শ স্বামী, প্রকৃত বন্ধু। মনে রাখবেন প্রেম শুধু শরীরেই বাস করে না। প্রেমের ক্ষেত্রে মন শরীর দুটোই লাগে। মন থেকে আপনার স্ত্রীকে ভালবাসুন। তার কানের কাছে মুখ নিয়ে বারবার ভালোবাসার কথাগুলো বলুন। তার প্রশংসা করুন। তাকে সময় দিন। তাকে নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যান। তার সাথে গল্প করুন।
মাঝে মাঝে তার জন্য উপহার নিয়ে আসুন। মনে রাখবেন রোমান্সকে কখনই শুধু বেডরুমের মধ্যে আবদ্ধ রাখবেন না। ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দিন, আর আপনার সেই ভালোবাসার সবটুকু জুড়ে থাকুক আপনার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রীর মিলনের আগে স্বামীর কিছু কর্তব্য থাকে যা আপনার সহবাসকে আরো তৃপ্তি দিতে পারে। সেরকমই ১০ টি বিষয় তুলে ধরা হলো-
১। পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।
২। কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতে হবে।
৩। চুম্বন, আলিঙ্গন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের কর্তব্য।
৪। নারী ধীরে ধীরে আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনও সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়।
৫। নারী কখনও নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।
৬। নারীর কর্তৃব্য সর্বদা পতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলা।
৭। পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।
৮। নারীর কর্তৃব্য স্বামীর চুম্বন, দংশন ও আলিঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।
৯। নারীর পূর্ণ কামভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।
১০। নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।