Click This Advertisement

Showing posts with label health tips. Show all posts
Showing posts with label health tips. Show all posts

Thursday, December 1, 2016

পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে কী করবেন – Cracked Heels Remedy

শীতকালে পায়ের গোড়ালি বা পায়ের তলা ফেটে যাওয়া একটি বিব্রতকর সমস্যা। এ ধরনের সমস্যাকে বলা হয় ক্র্যাকডহিল। (Cracked Heels)

পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে কী করবেন – Cracked Heels Remedy

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হয় মহিলাদের। এমনকি অনেক সময় জুতা পর্যন্ত পরতে সমস্যা হয়। অনেক সময় রক্ত পর্যন্ত বের হয় এবং চুলকাতে ইচ্ছা করে। সাধারণভাবে পায়ের গোড়ালি বা পায়ের তলা ফেটে গেলে সাদা ভ্যাসলিন সকালে ও রাতে লাগালে ভালো হয়। অনেক ক্ষেত্রে ক্লোবেটাসল ক্রিম (Clobetasone Cream) ব্যবহার করা যায়।
এ ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ১০% স্যালিসাইলিক অ্যাসিড অয়েন্টমেন্টও (Salicylic Acid Topical) পায়ের গোড়ালি ও পায়ের তলার ফাটা সারাতে ব্যবহার করা হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে বাজারে ক্র্যাকডহিল ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট পাওয়া যায়। তবে মনে রাখতে হবে অনেক ক্ষেত্রে সোরিয়াসিস (Psoriasis) নামক এক ধরনের চর্মরোগের কারণেও পায়ের তলা ও গোড়ালি ফাটতে পারে এবং সাধারণ ক্র্যাকডহিল ও সোরিয়াসিসজনিত পায়ের তলা ফাটার মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায় না।
সাধারণ চিকিত্সায় গোড়ালি ও পায়ের তলা ফাটা না কমলে অবশ্যই সংশ্লি­ষ্ট কোনো চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে। পাশাপাশি পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে কখনও চুলকানো উচিত নয়। এতে ক্ষত তৈরি হতে পারে। সাধারণভাবে কোনো ময়েশ্চারাইজার লোশন বা গ্লিসারিন ব্যবহারেও উপকার পাওয়া যায়।

Wednesday, November 30, 2016

এবার মাতৃগর্ভ ছাড়াই জন্ম নিবে শিশু!-The children will be born without a womb!


মাত্র তিন দশক পরেই মা ছাড়া মেশিনে শিশু জন্ম নেবে। এরকমই দাবি করেছেন একদল গবেষক। কৃত্রিম উপায়ে জন্ম নেওয়া এই পদ্ধতির নাম ‘একটোজেনেসিস‘। ২০৩৪ সালের মধ্যেই সফলতা আসবে বলে গবেষকরা আশা করছেন। বিষয়টি নিয়ে ২০০১ সাল থেকে গবেষণা শুরু হয়েছে।
গবেষকরা ‘একটোজেনেসিস’ পদ্ধতির সাহায্যে এর আগে ‘প্লাসেন্টা যন্ত্রে’ ইঁদুরের ভ্রুণ তৈরিতে কাজ করেছেন। এই প্রযুক্তি নিয়ে অবশ্য পক্ষে-বিপক্ষে নানা মতভেদ রয়েছে।
‘একটোজেনেসিস’ হল শরীরের বাইরে এই জৈব দেহের বেড়ে ওঠার পদ্ধতি যা পশু বা ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। এতে কৃত্রিম গর্ভাশয়ের জন্য কৃত্রিম একটি জরায়ুর প্রয়োজন পড়ে। যেটি ভ্রুণের জন্য পুষ্টি ও অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে।
বর্জ্য অপসারণের জন্য কাস্টম বিল্ট বা অ্যামিনোটিক ফ্লুইডের থলিও প্রয়োজন পড়ে। এসব বস্তুকে একটি প্লাসেন্টা যন্ত্র দিয়ে সংযুক্ত করা হয়, তাতে বিভিন্ন তার সংযুক্ত থাকে। এই পদ্ধতি চালু হলে সরোগেট মাদার বা গর্ভ ভাড়া করার প্রয়োজন পড়বে না।

স্বামীকে সহবাসের আগে যে ১০টি কাজ করতেই হবে – Health BD Tips

সংসার গড়ে ওঠে নারী পুরুষের ভালোবাসাকে উপজীব্য করে। স্বামী হওয়া খুব সহজ, তিনবার কবুল বললেই তা হওয়া যায়। কিন্তু আদর্শ স্বামী হওয়া অনেক কঠিন। সবার মধ্যে আদর্শ স্বামী হওয়ার সে প্রবণতা বা ইচ্ছাও লক্ষ্য করা যায় না।
সম্পূর্ণরুপে বিবস্ত্র মূলত লজ্জাশীলতার পরিচয়। শরীয়তে তা হারাম নয়। ঘর বা রুম বন্ধ থাকলে এবং সেখানে স্বামী-স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ না থাকলে পর্দার দরকার নাই। স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের লেবাস বা পোশাক। উভয়ে উভয়ের সব কিছু দেখতে পারে। মহান আল্লাহ বলেছেন, যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে।
কিন্তু সংসার কোন ছেলেখেলা নয়। এখানে একজন স্বামীকে অবশ্যই ছোট বড় সব বিষয়গুলোর দিকেই নজর রাখতে হবে। ধীরে ধীরে চেষ্টার পরেই হওয়া যায় আদর্শ স্বামী, প্রকৃত বন্ধু। মনে রাখবেন প্রেম শুধু শরীরেই বাস করে না। প্রেমের ক্ষেত্রে মন শরীর দুটোই লাগে। মন থেকে আপনার স্ত্রীকে ভালবাসুন। তার কানের কাছে মুখ নিয়ে বারবার ভালোবাসার কথাগুলো বলুন। তার প্রশংসা করুন। তাকে সময় দিন। তাকে নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যান। তার সাথে গল্প করুন।
মাঝে মাঝে তার জন্য উপহার নিয়ে আসুন। মনে রাখবেন রোমান্সকে কখনই শুধু বেডরুমের মধ্যে আবদ্ধ রাখবেন না। ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দিন, আর আপনার সেই ভালোবাসার সবটুকু জুড়ে থাকুক আপনার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রীর মিলনের আগে স্বামীর কিছু কর্তব্য থাকে যা আপনার সহবাসকে আরো তৃপ্তি দিতে পারে। সেরকমই ১০ টি বিষয় তুলে ধরা হলো-
১। পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।
২। কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতে হবে।
৩। চুম্বন, আলিঙ্গন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের কর্তব্য।
৪। নারী ধীরে ধীরে আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনও সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়।
৫। নারী কখনও নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।
৬। নারীর কর্তৃব্য সর্বদা পতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলা।
৭। পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।
৮। নারীর কর্তৃব্য স্বামীর চুম্বন, দংশন ও আলিঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।
৯। নারীর পূর্ণ কামভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।
১০। নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।