Click This Advertisement

Wednesday, November 30, 2016

বাচ্চা হবার পর সুন্দর শরীর পাওয়ার সহজ উপায়- After the easy way to get beautiful baby

মা হওয়ার পর শরীরের ওজন বেড়ে যায়। ফিগার নষ্ট হয়ে যায়। আর আগের মতো দেখতে সুন্দর লাগে না। এই নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তা করেন। কিন্তু জানেন কি, টাকা খরচ না করেও আপনি আগের মতো সুন্দর শরীর পেতে পারেন। তার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

বাচ্চা হবার পর সুন্দর শরীর পাওয়ার সহজ উপায়

✔ বাচ্চা হওয়ার পর পরই এক্সারসাইজ় (Exercise) শুরু করবেন না। প্রেগনেন্সির পর (After Pregnancy) শরীরে আগের মতো হরমোন ফ্লো হতে দিন। ততদিন ব্রেস্ট ফিডিংও করাতে হবে বাচ্চাকে। আপনার শরীরের বাড়তি মেদই বাচ্চার দুধ তৈরি করে। সব কিছু আগের অবস্থায় পৌঁছতে মাস তিনেক সময় লাগবে। তারপর ডাক্তারের কথা মতো এক্সারসাইজ় শুরু করুন।
✔ বাচ্চা হওয়ার পর অনেক মায়েরই রাতে ঘুম উড়ে যায়। এই কারণে শরীরের মেদ ঝরতে চায় না । চেষ্টা করবেন যাতে রাতে অনন্ত ৫-৬ ঘণ্টা ঘুম হয়।
 ✔ ওজন কমানোর সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন । কিন্তু বাচ্চাকে ব্রেস্ট ফিড (Breast Feeding) করানোর সময় কোনও মতেই এই সাপ্লিমেন্ট খাবেন না। বাচ্চার ক্ষতি হবে । ব্রেস্ট ফিডিং বন্ধ বলে সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। তবে ডাক্তারের সঙ্গে একবার আলোচনা করে নিন।
 ✔ অল্প পরিমাণে দু’ঘণ্টা অন্তর খাবেন। এতে হজমও ভালো হবে। বাড়তি মেদ জমবে না।
 ✔ প্রচুর শাক, সবজি ও ফল খাবেন। ওজন কমবে।
 ✔ গর্ভবতী থাকার সময় খিদে না পেলেও অনেকে বেশি বেশি খেয়ে ফেলেন। ফলে অকারণে ওজন Weight বেড়ে যায়। সেই অকারণ বেশি খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।


মেয়েদের বুকের ব্যায়াম – Breast Exercise in Bangla

সুন্দর বুক ছাড়া সুন্দর শরীর পাওয়া যায় না এটা জানা কথা। আর এটাও জানা যে সুন্দর বুকের জন্য আপনাকে ঠিকঠাক ব্যায়াম করতে হবে। তবে শুধু সুন্দর হওয়ার জন্যেই বুকের দিকে নজর দেবেন তা কিন্তু না। সুস্থ ও ফিট থাকার স্বার্থেও এটা খুব জরুরী। প্রথমেই ঝালিয়ে নেওয়া যাক আমাদের বুকের গড়ন ঠিক করতে ব্যায়ামের ভুমিকা।

Breast Augmentation Tips in Bangla

আমাকে অনেক দিন ধরে অনেকে বলছেন বুকের ব্যায়াম নিয়ে কিছু লিখতে। ছেলেরা জানতে চেয়েছেন সকলের বিশেষ করে মেয়েদের মুগ্ধ করার মত বুকের গড়ন কিভাবে পাওয়া সম্ভব। মেয়েদের প্রধান চাহিদা একটা সুগঠিত দৃঢ় স্তন, যা অন্যের নজর টানবে আর পুরুষকে আকৃষ্ট করবে। কারণ অনেক মেয়ের ক্ষেত্রেই দেখা যায় বয়স সেরকম না হলেও স্তন ছোট বা শিথিল হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন।
বুকের গঠন : Breast Structure
আমাদের দেহ অনেক পেশি দিয়ে তৈরি। তাদের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ একটি পেশি হল পেক্টোরাল মাসল। আমাদের বুক জুড়ে ছড়িয়ে আছে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পেশি। আমাদের বুকের মাঝখানে যে বড় হাড়টি(স্টার্নাম) আছে তার দুপাশে পাঁজরের উপর দিয়ে হাত ও কাঁধের সংযোগস্থল পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে এই পেশি। আমাদের শরীরের সবচেয়ে বড় পেশিগুলির মধ্যে এই পেশিটি পড়ে। এই পেশির সাহায্যে আমরা আমাদের হাত নিচে,ওপরে,পাশে, ভেতরের দিকে নড়াচাড়া করাতে পারি। এই পেশি দুরকমের – ১) পেক্টোরাল মেজর, ২) পেক্টোরাল মাইনর। পেক্টোর‌্যাল মাইনরের অবস্থান পেক্টোরাল মেজর পেশির ঠিক নীচে।
বুকের উপর ছড়িয়ে থাকা এই পেশি ছেলেদের ক্ষেত্রে সরাসরি দেখা যায়। কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি স্তনের নিচে ঢাকা থাকে বলে বাইরে থেকে দেখা যায় না। শারীরিক বৈশিষ্ট্যের এই তফাতের জন্য ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের বুকে ফ্যাট বা চর্বির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। স্তনে কোন পেশি থাকে না; মূলত ফ্যাট এবং দুধ সৃষ্টি ও সঞ্চয় করার গ্ল্যান্ড দিয়ে এটি তৈরি হয় মেয়েদের শরীরে থাকা এস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে।
বুকের ব্যায়ামের উপকারিতাঃ- Breast Enlargement Exercise Benefit
১) বুকের ব্যায়াম পেক্টোরাল পেশিগুলিকে পুষ্ট, দৃঢ়, শক্তিশালী ও নমনীয় করে গড়ে তোলে।
২) বুকের যথাযথ ব্যায়ামের সাহায্যে আমরা আমাদের শরীরকে অনেকরকম চোট আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারি।
৩) বুকের পেশির ব্যায়াম শুধু সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে না, গোটা শরীরকে সচল রাখতে সাহায্য করে। হাত ও কাধেঁর সংযোগস্থল শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
৪) মেয়েদের ক্ষেত্রে বুকের ব্যায়ামের ফলে পেক্টোরাল পেশিগুলি শক্তিশালী হলে স্তনের ঝুলে যাওয়া আটকাতে সাহায্য করে স্তনকে উঁচু ও সুদৃঢ় দেখায়।
যে ছেলেদের বুকের খাঁচা বড় স্বাভাবিক ভাবেই ব্যায়ামের ফলে তাদের বুক অনেক বেশি সুন্দর হবে। যাদের বুকের খাঁচা ছোট বিশেষজ্ঞের মত নিয়ে পুষ্টিকর খাবার খেলে এবং সঠিক ভাবে ব্যায়াম করলে তাদেরও বুকের সৌন্দর্য্য অনেকগুণ বাড়ানো সম্ভব।
মেয়েদের শরীরে অতিরিক্ত চর্বি হলে অন্যান্য জায়গার সঙ্গে স্তনেও তা জমা হয়। ফলে স্তনের সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়ে যায়। বুকের পেশির ব্যায়ামের সঙ্গে গোটা শরীরের জন্য কার্ডিও ব্যায়ামকে যুক্ত করলে অতিরিক্ত চর্বি কমে স্তনের আকার সঠিক জায়গায় ফিরবে এবং দেখতেও অনেক আকর্ষণীয় লাগবে। ছেলেদের ক্ষেত্রেও বুকের পেশির ব্যায়ামের সঙ্গে কার্ডিও ব্যায়াম যথা সাইক্লিং, জগিঙ, দৌড়, হাঁটা, সাধারণ ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম যুক্ত করা দরকার।
মেয়েদের বুকের গঠন ও ব্যায়াম এই নিয়ে অত্যন্ত জরুরি কিছু বিষয়ঃ
মেয়েদের যৌবনলাভের সময়ে এস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে স্তন গড়ে ওঠে। অতিরিক্ত এস্ট্রোজেনের (estrogen) প্রভাবে স্তনের আকার অনেক সময় বেশ বড় হয়ে যায় এর ফলে শারীরিক অসুখ, এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। ব্যায়ামের সাহায্যে এস্ট্রোজেন নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়াও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার খেতে হবে,যার দ্বারা এটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। যেমন- সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। একই ভাবে যাদের স্তন অপুষ্ট বা ছোট তারা ব্যায়ামের সঙ্গে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে খাদ্য তালিকায় এমন খাবার রাখবেন যা এস্ট্রোজেন বাড়াতে সাহায্য করবে।
আমরা চটজলদি ফল পেতে স্তন বড়কে (Big Breast) ছোট করতে ও ছোটকে বড় করতে অপারেশন, হরমোন পিল ইত্যাদি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু মনে রাখবেন এতে ঝুঁকি আছে এমনকি ক্যান্সারের আশংকা অনেক বেশি। তবে ছেলেরাও কিন্তু অনেক সময়ে চটজলদি মাসল পাওয়ার লোভে নানা ট্যাবলেট খেয়ে থাকেন যার ফল মারাত্মক হতে পারে।

বুকের কয়েকটি ব্যায়াম – Exercises to lift breast

বুক নিয়ে হরেক রকমের ব্যায়াম আছে। একটা লেখায় তার পুরো বিবরণ দেওয়া সম্ভব না। তাই সে চেষ্টা না করে অত্যন্ত সাধারণ কয়েকটি ব্যায়ামের কথা আলোচনা করছি যা আপনি বাড়িতে বসেও পুরুষ মহিলা সবাই করতে পারেন।
আরও কয়েকটি কথা শুরুর আগেই বলা দরকার। ব্যায়াম শুরুর আগে অবশ্যই একজন ফিটনেস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন আর মাঝে মাঝে তাঁর থেকে ঝালিয়ে নিন, বিশেষ করে যদি আপনি বাড়িতে ব্যায়াম করেন। না হলে লাভের চেয়ে ক্ষতি হতে পারে।
বুক ঠিকঠাক গড়ে তুলতে ওয়েট ট্রেনিং বা ওজন নিয়ে ব্যায়াম অবশ্যই অনেক বেশি কার্যকরী। তবে কোনদিন সেভাবে ব্যায়াম বা খেলাধুলা না করলে কিছুদিন খালিহাতে ব্যায়াম করে একই ব্যায়াম নানা ওজনের ডাম্বেল নিদেন পক্ষে দুটি সমান ওজনের জলের বোতল নিয়েও করতে পারেন। তবে বুকের বা অন্য যে কোন পেশির ওয়েট ট্রেনিং সপ্তাহে তিন দিনের বেশি করবেন না। কারণ, এই ধরণের ব্যায়ামে পেশির উপর যে চাপ পড়ে বা ক্ষয় হয় তা পূরণ হতে মোটামুটি ৪৮ ঘন্টা সময় লাগে।
এবার আসা যাক নির্দিষ্ট কয়েকটি ব্যায়ামের আলোচনায়:
১/ পুশ আপ: (Push up) বুকের পেশিগুলিকে শক্তিশালী করা বা মেয়েদের ক্ষেত্রে বুকের গড়নকে সুন্দর করার জন্য হোক পুশ আপের জুড়ি নেই। এই বায়ামটি বাংলায় সাধারণভাবে বুক ডন দেওয়া বলে পরিচিত। বেঞ্চ প্রেস, মাল্টি জিম বা অন্যান্য মেশিন ব্যাবহার করে যে ফল আপনি পাবেন নানা ধরণের পুশ আপ তাঁর চেয়ে ভাল ছাড়া খারাপ ফল দেবে না। তবে অনেকের জন্য এটা শুরুতে একটু কঠিন মনে হতে পারে। সেই জন্যে পুশ-আপকে ফুল পুশ- আপ, হাফ পুশ-আপ বা বেঞ্চ পুশ-আপ এরকম কয়েকটি ভাগে ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে।
ক) ফুল পুশ-আপ: (Full Push Up) উপুর হয়ে শুয়ে পরুন। পায়ের আঙুলের উপর ও হাতের তালুর উপর ভর দিয়ে শরীর উপরে তুলে ধরুণ। এবার তালুর উপর ভর দিয়ে কনুই ভেঙ্গে শরীরকে একবার উপরে আর একবার নীচে নামিয়ে পুশ আপ করুন। ১০ বার করে ৩টে সেট।
খ)/ হাফ পুশ-আপ: (Half Push Up) হাঁটুর উপর ভর দিয়ে উপুর হয়ে শরীরের উপরের অংশ মেঝের সমান্তরাল রাখুন। গোড়ালি তুলে রাখুন। হাতের উপর ভর দিয়ে শরীরের উপরের অংশ যতয়াট পারেন নামান আব্র তুলুন। মনে রাখবেন গোড়ালি যদি মাটি ছুঁয়ে যায় তাহলে এই ব্যায়ামের পুরো ফল পাবেন না। এটিও এক একবারে ১০টি করে তিন সেট করবেন। যারা ফুল পুশ-আপ পারবেন না তাঁরা এইভাবেও শুরু করতে পারেন।
গ) বেঞ্চ, খাটের বা জানালার ধারে দুটো হাতের ভর রেখে পা দুটো পেছিয়ে শরীরকে কোণাকুণি রাখুন। এবার এখান থেকে পায়ের আঙুল স্থির রেখে হাতের উপর ভর দিয়ে শরীরে উপরের অংশকে নামিয়ে আনুন যতটা নীচে সম্ভব। আবার শরীর কে তুলে নিয়ে আগের জায়গায় ফিরে যান। এই ব্যায়ামটি ও ১০ বার করে তিন সেট করতে পারেন আপনি ফুল পুশ-আপ না করলে।
২/ হাত শরীরের পাশে রাখুন। কাঁধ পর্যন্ত তুলুন আর নামান আগের জায়গায়। ১০ বার করে দুই বা তিন সেট করুন। এই ব্যায়ামটি ডাম্বেল নিয়ে করতে পারেন। আপনার সামর্থ অনুযায়ী কোন ওজনের ডাম্বেল নেবেন ঠিক করুন।
৩/ হাত সামনের দিকে জোড়া করে দাড়াঁন। এবার হাত খুলে কাঁধ পর্যন্ত নিয়ে যান। আবার আগের জায়গায় নিয়ে আসুন। ১০ বার করে ৩টে সেটে এটা করুন। এটা ডাম্বেল নিয়ে বা খালি হাতে করতে পারেন। শুরুতে কিছুদিন খালি হাতে অভ্যাস করে পরে ডাম্বেল নিয়ে করতে পারেন।
৪/ দরজা বা দেওয়ালের উপর দুহাত দিয়ে চাপ রাখুন। পা দুটো জোড়া করে দাঁড়ান। হাতের উপর চাপ রেখে শরীরের সামনের অংশ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১০ বার করে এইভাবে ৩ বার।
৫) দেওয়ালের উপর একহাত দিয়ে পাশ ফিরে দাঁড়ান। হাতের উপর চাপ রেখে কোমর থেকে উপরের অংশ দেওয়ালের দিকে নিয়ে যান। এইভাবে এক এক হাতে ১০ বার করে ৩ বার করুন।
৬) সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে হাত সামনে সোজা ভাবে রাখুন। এবার ডান হাত বাঁ দিকে এবং বাঁ হাত ডান দিকে X এর মত করুন। অর্থাৎ বাঁ হাত ডান হাতের একবার উপর দিয়ে, একবার নীচে দিয়ে এইভাবে ১০ বার করুন। এমনভাবে করুন যাতে কনুই বুকের পাশে চেপে আসে।
৭) বেঞ্চের উপর হেলান দিন বা শুয়ে পড়ুন। হাত সামনের দিকে সোজা করুন এবার হাত দুটো কাঁধ বরাবর নিয়ে যান আবার সামনে নিয়ে আনুন এইভাবে ১০টা করুন। ডাম্বেল নিয়ে বা খালি হাতে করতে পারেন।
৮/ বেঞ্চে হেলান দিয়ে বা শুয়ে ডাম্বেল নিয়ে বা খালি হাতে হাত একসঙ্গে বুকের উপর এক নিয়ে আসুন। এবার দুটি হাত পিছন দিকে নিয়ে যান একদম মাথার দু পাশ বরাবর টান টান করে হাত আগের জায়গায় নিয়ে আসুন।
৯/ দরজার ফ্রেমে দু হাতের বুকের উচ্চতায় রাখুন। স্বাভাবিকভাবে দাঁড়ান। এবার হাতের উপর চাপ দিয়ে সামনে এবং নীচের দিকে ঠেলুন। পায়ের পাতার সামনের অংশ আর আঙুলের উপর ভর দিন এবং স্থিরভাবে রাখুন। আবার আগের জায়গায় ফিরে যান। এইভাবে দশবার।
এরকম আরও বলা যেতে পারে। তবে আপাততঃ এর মধ্যে কয়েকটি বেছে নিয়ে শুরু করুন আপনার ঘরে, হোটেলে খোলা মাঠে যেখানে যখন আপনার সুবিধা।

Slim Figure পাওয়ার গোপন রহস্য জেনে নিন-Find out the secrets of Slim Figure

Slim Figure পাওয়ার গোপন রহস্য কে না জানতে চায়? আজকের আয়োজন কিভাবে খুব সহজে Slim Figure পাবেন কিছু tips ফলো করে।
সারাদিন ব্যস্ত থাকেন, ব্যায়াম কিংবা ডায়েট করার সময় নেই। ফলে হু হু করে বেড়ে চলেছে ওজন! আপনিও কি এই সমস্যায় আক্রান্ত? যদি তাই হয় তবে জেনে রাখুন, সন্ধ্যা ও রাতের সময়টায় মাত্র ৪টি সহজ কাজ করেই কমাতে পারবেন বাড়তি ওজন। বাড়তি কোন সময় লাগবে না, কাজের ক্ষতি হবে না।, কেবল রপ্ত করে নিন কিছু সহজ অভ্যাস। আর এগুলোই আপনাকে খুব সহজে করে দেবে স্লিম ও সুন্দর!
Slim Figure পাওয়ার গোপন রহস্য জেনে নিন
মোটা শরীর নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্তিতে পড়ে অহরহ। আর সেই সমস্যা থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্য অনেকেই অনেক রকমের পদ্ধতি অবলম্বন করে। কিন্তু যথাযথ প্রকৃয়ায় নিজের শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা বলেই তাদের অনেকে মোটা শরীর নিয়ে ঘরে-বাইরে প্রতিনিয়ত বিপাকে পড়ে।
আজকাল প্রায় কমবেশী সকল নারীই স্বাস্থ্য সচেতন। সকলেই এখন চেষ্টা করেন স্লিম থাকতে, পাশাপাশি নিজের শরীরের নানান অঙ্গগুলো সুগঠিত রাখতে। শরীরের একেকটি অঙ্গ সুন্দর করতে চাই ভিন্ন ভিন্ন ব্যায়াম। ডায়েটিং করে ওজন তো কমানো যায়, কিন্তু এর অনেক খারাপ প্রভাব পড়ে দেহের সৌন্দর্যের ওপরে।
কিশোর কিশোরি থেকে তরুণ সবাই এখন ছুটছে স্লিম ফিগারের পেছনে। আমাদের অনেকের জীবনেই স্থূলতা বা বাড়তি ওজন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাড়তি ওজন শুধু শারীরিক নয় বিভিন্ন মানসিক ও সামাজিক সমস্যারও কারণ হয়ে দেখা দেয়। তাই আমরা বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ দেহ আর কাঙ্ক্ষিত ফিগার পেতে চাই। এটা সত্যি চাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের কোনো কার্পণ্য নেই তবে সমস্যা দেখা যায় কাঙ্ক্ষিত সেই গোলে যেতে আমরা যে পথ অবলম্বন করি সেখানে। এটা বলছি এজন্য যে, আমরা ওজন নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্রথম যা করি তা হচ্ছে খাবার নিয়ন্ত্রণ। আমাদের বাড়তি ওজনের জন্য যত শত্রুতা যেন শুধু খাবারের সঙ্গে। কয়েক দিন না খেয়ে থেকে অনেকে আবার অসুস্থ হয়ে যাই, আর কেউ কেউ এক সপ্তাহেও কোনো পরিবর্তন না দেখে কিছুটা বিরক্তি নিয়ে আবার আগের মতোই খেতে শুরু করেন। অতএব ফলাফল হয় শুন্য। আসুন প্রথমে তিন মাস টার্গেট নিয়ে চেষ্টা করি ওজন কমানোর। এই তিনমাস একটু কষ্ট হলেও নিয়মগুলো মেনে চলি, তারপর ওজন মেপে দেখি। আসুন আমরা Slim Figure পাওয়ার গোপন রহস্য কয়েকটি টিপস সহজভাবে জেনে নেই:
১. হালকা নাস্তার অভ্যাস:
আমরা অনেকেই ডায়েট করছি ঠিকই কিন্তু দেখা যায় সন্ধ্যার নাস্তার টেবিলে পেট ভর্তি করে আহার করে ফেলি। সন্ধ্যার নাস্তায় অনেক ভারী খাবার খেয়ে ফেলি। এই বাজে অভ্যাসটির কারণে আপনার ওজন আরও দ্বিগুণ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই যতটা সম্ভব চেষ্টা করবেন সন্ধ্যার নাস্তাটি হালকাভাবে সেরে নেয়ার। একেবারেই না হলেই না এমন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনি যদি নাস্তা করার অভ্যাসটি বাদ দিতে পারলে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো উপকার পাওয়া যাবে।দেখে আসতে  পারেন BREAST EXERCISE IN BANGLA
২. রাতের খাবারের পর অন্যকিছু না খাওয়া :
রাতের খাবারের পর অনেকের অভ্যাস থাকে আরও কিছু খেয়ে ফেলা। অনেকেই খাবারের পরপর মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে অনেক বেশি পছন্দ করেন। এই ধরনের অভ্যাস থেকে থাকলে তা থেকে যত শীঘ্রই সম্ভব নিজেকে মুক্ত করুন। রাতের খাবারের পর আর কিছুই খাবেন না। প্রয়োজনে পানি খেতে পারেন।

৩. হালকা শারীরিক ব্যায়াম:
রাতের খাবারের পর একটু সময় নিয়ে হালকা ধরনের শারীরিক ব্যায়াম করে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন একেবারে রাতের খাবারের পরপর ব্যায়াম না করে একটু সময় বিশ্রাম নিয়ে তারপর ব্যায়াম করুন। এভাবে প্রতিদিন রাতে হালকা ধরনের কয়েকটি ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসবে।
৪. তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস:
অনেকেই রাত জাগতে পছন্দ করে। এতে করে রাতে ক্ষুধার প্রবণতা বাড়ে এবং অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে থাকে। আবার রাত জাগার ফলে অযথা শরীর খারাপ হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। তাই রাত জাগার এই বদ অভ্যাসটি বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকবে এবং আপনার শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে। আর তখন স্লিম ফিগার নিয়ে আপনিও থাকবেন অনেক বেশি ফুরফুরে মুডে।
খেতে হবে প্রচুর পানি পান করুন প্রতিবার খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ আগে একগ্লাস পানি পান করুন উচ্চ শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য যেমন—চাল, আলু খেতে হবে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে কম ক্যালরিযুক্ত তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি প্রচুর পরিমাণে খেতে পারেন প্রতিদিন সকালে গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন সাধারণ চা বা কফির পরিবর্তে সবুজ চা পান করুন শসা ও ভিটামিন সি জাতীয় টক ফল ওজন কমাতে সাহায্য করে। এগুলো বেশি খেতে পারেন। তিক্ত স্বাদযুক্ত সবজি বিশেষ করে করলা বাড়তি ওজন কমানোর জন্য খুবই কার্যকর মসলাজাতীয় খাবার যেমন: আদা, দারচিনি, কালো মরিচ ওজন কমাতে সাহায্য শীতের সবজি বাঁধাকপি খেলে ওজন কমে কাঁচা বা রান্না যেভাবে ইচ্ছা বেশি পরিমাণে খান খাওয়া যাবে না খাওয়ার সময় অতিরিক্ত লবণ খেলে এই অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে উচ্চক্যালরি ও উচ্চ ফ্যাটযুক্ত ফাস্টফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন মিষ্টি শরবত, কোমল পানীয়, সব রকম মিষ্টি, তেলে ভাজা খাবার, চর্বিযুক্ত মাংস, তৈলাক্ত মাছ, বাদাম, শুকনা ফল, ঘি, মাখন, পনির, দুধের সর এসব খাবার যত পছন্দেরই হোক বাদ দিতে হবে রাতে খাবারের পর অনেকেই অতিরিক্ত কিছু খেতে পছন্দ করেন অপ্রয়োজনীয় এ খাবারটুকু একদম বাড়তি ওজন যোগ করে আমাদের শরীরে কোনো সফলতা সেলিব্রেট করার সময় পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে খাবার খাওয়ার প্লান বাদ দিয়ে বরং কোথাও ঘুরে আসুন কায়িক শ্রম ব্যায়াম একটি কথা মনে রাখা দরকার, শুধু খাদ্য নিয়ন্ত্রণই আমাদের ওজন কমাতে পারে না। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা থেকে যদি ৫০০ ক্যালরি কমাতে পারি তাহলে ওজন কমে প্রতিসপ্তাহে আধা কেজি। কিন্তু আমরা প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে হাঁটি, সাইকেল চালাই অথবা সাঁতার কাটি তখন দেখবেন ওজন কমছে ২ গুণ। তবে যারা কায়িক শ্রম বেশি করেন তাদের ব্যায়ামের প্রয়োজন নেই।দেখে আসতে  পারেন স্তন বড় করার জন্য ওষুধ
সময়ের অভাবে যারা আলাদা করে এক্সারসাইজ করতে পারেন না, তারা সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসেই কিছু ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ করে নিন। আর কাছাকাছি দূরত্বে কোথাও যেতে হলে হেঁটে যান, ওপরে উঠতে লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়িতে চলুন। এক গ্লাস পানি বা প্রিন্ট দেওয়া কাগজ আনতে কাউকে না বলে নিজেই উঠে গিয়ে নিয়ে নিন। শরীরের বাড়তি ওজন এক সপ্তাহে বাড়েনি, তাই খুব অল্প দিনে কমে যাবে এটা ভাবা ঠিক নয়, দীর্ঘ তিন মাসের পরিকল্পনা করুন, ধৈর্য ধরে চেষ্টা করুন স্বপ্নের সেই হারানো কাঙ্ক্ষিত ফিগার পেয়ে যাবেন মাত্র তিন মাসে।

Vagina যোনিপথ Tight করুন ঘরে বসে

সেক্সের সময় যদি নারী পুরুষ উভয়ই আনন্দ না পান তাহলে সেক্স করার সকল মজাই বিফলে চলে যেতে পারে। নারীর কাছে যেমন পুরুষের শক্ত লম্বা এবং মোটা যৌনাঙ্গ সমাদৃত তেমনি পুরুষও চায় বড় দুধের টাইট যোনির মেয়ের সাথে সেক্স করতে। কিন্তু বাচ্চা জন্মের পর অনেক মেয়েরই যোনিপথ বড় হয়ে যেতে পারে যা অনেক সময় সম্পর্ক বিচ্ছেদের কারন হয়ে দাড়ায়।
Vagina যোনিপথ Tight করুন ঘরে বসে
কারন মেয়েরা যখন গর্ভবতী হয় সেসময় প্রায় ৭-৮ মাস পুরুষ সেক্স করতে পারেনা। যেকারনে সে অপেক্ষা করতে থাকে বাচ্চা হওয়া পর্যন্ত আর তারপর যদি স্ত্রীর যোনিপথ বড় বা ঢিলা হয়ে যায় তাহলে সে পুরুষ মোটা লম্বা যৌনাঙ্গ ঢুকিয়ে মজা পায় না। আমাদের দেশে অনেক মেয়েই এই সমস্যায় ভুগছেন কিন্তু লোক লজ্জার কারনে মুখ ফুটে বলতে পারছেন না আবার এই সমস্যায় পড়ে স্বামী সংসার হারানোর উপক্রম হয়েছেন। তাদের জন্য healthbangla.com আজ নিয়ে এসেছে কিভাবে ঘরে বসেই টাইট করবেন নিজের যোনিপথঃ
*আমলকীর সিরাপঃ আমাদের দেশের খুবই পরিচিত একটি ফল আমলকী। দামে কম সহজলভ্য এই ফলটি যোনিপথ টাইট করার জন্য বাইরের দেশগুলোতে মেয়েদের যোনিপথে ব্যাপক পরিমানে ব্যবহার করা হয়। আমলকী ফল কিনে এনে অথবা সংগ্রহ করে পানিতে সিদ্ধ করুন। যখন আমলকী পানিতে গলে পানিটি পুরু হয়ে আসবে তখন মিশ্রণটি বোতলে সংগ্রহ করুন। এরপর যখনই মেয়েরা গোসল করতে যাবেন সিরাপটি যোনিপথের ভেতরে এবং বাইরে ম্যাসেজ করুন। প্রায় এক মাস এই নিয়ম অনুসরন করলে যোনিপথ টাইট হয়ে আসবে।
*কেগেল ব্যায়ামঃ এই ব্যায়াম অনুসরন করে অনেক মেয়েই জীবনে সুখ ফিরে পেয়েছে। বলা হয়ে থাকে যে বাচ্চা হওয়ার পর নিয়মিত এই ব্যায়াম করলে যোনিপথ ঠিক কুমারী মেয়ের মত টাইট হয়ে যায়। এই ব্যায়ামটিতে কুঁচকির মাংসপেশি বারবার সংকোচিত এবং প্রসারিত করা হয়। কুঁচকি ১০ সেকেন্ডের জন্য সংকোচিত করে ছেড়ে দিতে হয় আবার ১০ সেকেন্ডের জন্য সংকোচিত করতে হয় এভাবে প্রায় ১৫ বার পদ্ধতিটি রিপিট করুন। দিনে বিরতি দিয়ে দিয়ে ১০০-২০০ বার কেগেল ব্যায়াম করতে পারেন। প্রসাব করার সময়ও এই ব্যায়ামটি করতে পারেন। প্রসাব করার সময় পেশি সংকোচিত করে ৫ সেকেন্ডের জন্য প্রসাব আটকে রাখুন তারপর ছেড়ে দিন।
*সুস্থ খাদ্যাভ্যাসঃ কেগেল ব্যায়ামের সাথে সাথে খাবারে বেশি পরিমানে ফল এবং শাকসবজি থাকাটাও খুবই জরুরী। এর ফলে ঢিলে হয়ে যাওয়া যোনিপথ খুব তারাতারি পুরনো রুপ ফিরে পায় আর সেক্স হয় পরিপূর্ণ।
*ভি টাইট জেলঃ এই ক্রিমটি যোনিপথ টাইট করার সবচেয়ে জনপ্রিয় জেল। জেলটি কিনে আনার পর সেক্সের ৫ মিনিট আগে যোনিপথের ভিতরে ও বাইরে প্রয়োগ করুন। বিশ্বাসযোগ্য না হলেও সত্যি মাত্র ৫ মিনিটেই যোনিপথ হয়ে যায় কুমারী একজন তরুণীর মতন।
পরিশেষে এটাই বলা যায় যুগ এখন অনেক পাল্টে গেছে তাই যোনিপথ বড় হয়ে গেলে লুকিয়ে না থেকে উপরের যেকোনো পদ্ধতি অনুসরন করে যোনিপথ টাইট করুন। নিজে সুখে থাকুন, স্বামীকেও সুখে রাখুন।


স্তন নিয়ে আপনার অজানা কিছু তথ্য এবং সমাধান-You do not know some information about breast and solutions

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের স্তন ঝুলে যাওয়া একটি সাধারন শারীরবৃত্তিয় প্রক্রিয়া। মধ্যাকর্ষন এবং স্তন চামড়ার স্থিতিস্থাপকাতা হ্রাস পাওয়ার ফলে পেশীকলা, অস্থিবন্ধনী এবং যে চামড়া আপনার স্তনকে ধরে রাখে তা ক্রমশঃ দুর্বল হয়ে যাওয়ার ফল স্বরূপ স্তন ঢিলে হয়ে যায় এবং তার যৌবন রূপ হারাতে থাকে। এমনকি – জীনতত্বীয় কারনে অল্প বয়সে মেয়েদের স্তন ঢিলে হয়ে যাওয়া তথা ঝুলে যেতে পারে। স্তন নিয়ে আপনার অজানা কিছু তথ্য এবং সমাধান
মেয়েদের স্তন ঝুলে যাওয়া বৈশিষ্টঃ
২২/২৩ বছরে স্তন ঝুলে যাবার নানবিধ কারন থাকতে পারে। বিএমআই (body mass index) বৃদ্ধি, স্তনের অতিরিক্ত আকার এবং ধুমপান (প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ) প্রায় যেকোন বয়সেই মহিলার স্তন ঝুলে যাওয়ার অন্যতম কারন। তাছাড়া যেসকল খেলাধুলায় স্তন সজোরে লাফালাফি করে (যেমন ব্যাডমিন্টন, দৌড়, উচ্চ লম্প ইত্যাদি) তা নারী স্তন ঢিলে হয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ভুমিকা রাখে।
মেয়েদের স্তন এর ক্রমবিকাশঃ
যেকোন কারনে স্তন ঝুলে যাবার সঙ্গে অস্থিবন্ধনী এবং স্তনের চার পাশের চামড়ার স্থিতিস্থাপকতার বিষয়টি জড়িত। বিএমআই (body mass index) বৃদ্ধি এবং বড় আকারের স্তন মধ্যকর্ষনের স্বীকার হয় বেশি।
স্তনের পেশীকলা নিচের দিকে টানা এবং স্তনের চামড়ার টান টান ভাব শীথিল/দুর্বল হয়ে যাওয়া ফলে স্তনে ঢিলা ভাব পরিলক্ষিত হয়। খেলাধুলার সময় ক্রমান্বয়ে স্তনের উপর-নিচ কম্পনের ফলেও স্তনের পেশী দুর্বল হয়ে যেতে পারে – যা পরবর্তীতে স্তনকে সঠিক মাত্রায় সার্পোট দেয়ায় সামর্থ্য হারায়।
মেয়েদের স্তন নিয়ে ভুলধারনাঃ
মহিলাদের মধ্যে একটি সাধারন ভুল ধারনা আছে যে সন্তানকে স্তনদুধ দেওয়ার কারনে অল্পবয়সে স্তন ঝুলে যায়। এই ধারনা এশিয়ার কিছু দেশে এখনও বিদ্যমান। তবে এই ভুল ধারনা মধ্যপ্রাচ্যের নারীদের বেলায় প্রকট। আমেরিকান সোসাইটি অব প্লাষ্টিক সার্জন এর বর্ননা মতে স্তন দানের সাথে স্তনের আকার অথবা গঠন পরিবর্তনের কোন সম্পর্ক নেই। এমনকি যেসকল নারী একের অধিক সন্তানকে স্তন পান করান তাদেরও স্তনদানের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ প্রভাব স্তনের আকারে পড়েনা।
মেয়েদের স্তনের যত্নঃ
অল্প বয়সে স্তনের ঝুলে যাওয়া থেকে রক্ষা পেতে সঠিক সাইজের ব্রা পরুন যা আপনার স্তনকে পুর্নমাত্রায় ধারন করতে সমর্থ। ভাল মানের ব্রা স্তনের ওজনকে আপনার কাধ, এবং মেরুদন্ডের উপর সমানভাবে বিস্তৃত করে দেয় যা স্তনের ঝুলে যাওয়াকে বিলম্ভিত করতে সহায়তা করে।
যেকোন প্রকার হালকা (সাঁতার, সাইকেল চালানো ইত্যাদি) এবং ভারী (দৌড়-ঝাপ, নৃত্য) ব্যয়াম করার সময় অবশ্যই স্পোর্টস ব্রা ব্যবহার করার ফলে গতির সাথে স্তনের কম্পন কমিয়ে স্তন সুঢৌল রাখতে ভুমিকা রাখবে। সঠিক এবং পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহনের মাধ্যমে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রনে রেখে এবং ধুমপান হতে বিরত থেকে অল্প বয়েসে স্তনের ঢিলা হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
মেয়েদের স্তনের চিকিৎসাঃ
কিছু ব্যয়াম, সঠিক আকারের ব্রা/অন্তঃবাস পরিধানের পাশাপাশি ঝুলে যাওয়া স্তন সুঢৌল করার একমাত্র উপায় হলো কসমেটিক সার্জারী। ব্রেষ্ট লিপ্টিং এবং স্তন বর্ধন সার্জারী নির্দিষ্ট মাত্রায় ঝুলে যাওয়া স্তনে কিছুটা উন্নতি আনতে পারে। তবে সার্জারীর মানে এই নয়যে সার্জারীকৃত স্তন আর কখনো ঝল/ঢিলে হবেনা। মধ্যাকর্ষন স্তনের পেশীকলায় পুর্বের ন্যায় প্রভাব ফেলতে পারে – তাই সার্জারীর এই ফলাফল ক্ষনস্থায়ী এবং স্বাভাবিক।

চুলের Protein Treatment ঘরে বসেই

সুন্দর চুল কে না পছন্দ করে। কিন্তু রোদ আর ধূলাবালির কারণে সেই সুন্দর চুল মলিন হয়ে যায়। তাই চুলের জন্য চাই বাড়তি যত্ন। পার্লারে চুলের জন্য নানা ধরনের ট্রিটমেন্ট রয়েছে। কিন্তু কর্মব্যস্ত জীবনে নিয়মিত পার্লারে যাওয়াটাও অনেক সময় কষ্টকর হয়। তবে একটু সময় বের করে নিলেই ঘরে বসেই  চুলের যত্ন নিতে পারেন। এজন্য প্রোটিন ট্রিটমেন্ট – Protein Treatment অনেক বেশি কার্যকর।
চুলের Protein Treatment উপকরণ: ২টা ডিম, ১/২ কাপ অলিভ অয়েল, ১/২ কাপ টক দই ও ১/২ কাপ মধু।
 চুলের Protein Treatment পদ্ধতি: ডিম ভেঙে কুসুম বের করুন। একটি বাটিতে ডিমের কুসুম নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এর সঙ্গে অলিভ অয়েল মেশান। পরে মধু ও টকদই মিশিয়ে নিন।
 চুল ভাল কর আঁঁচড়ে জট ছাড়িয়ে নিন। এবার পুরো চুলে ভালভারে প্যাকটি লাগান। এবার শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ফেলুন। এরপর কন্ডিশনার লাগান। চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে চাইলে ভিনেগারের সাথে পানি মিশিয়ে শ্যাম্পু করার পর চুলে দিতে পারেন।

স্বামীকে সহবাসের আগে যে ১০টি কাজ করতেই হবে – Health BD Tips

সংসার গড়ে ওঠে নারী পুরুষের ভালোবাসাকে উপজীব্য করে। স্বামী হওয়া খুব সহজ, তিনবার কবুল বললেই তা হওয়া যায়। কিন্তু আদর্শ স্বামী হওয়া অনেক কঠিন। সবার মধ্যে আদর্শ স্বামী হওয়ার সে প্রবণতা বা ইচ্ছাও লক্ষ্য করা যায় না।
সম্পূর্ণরুপে বিবস্ত্র মূলত লজ্জাশীলতার পরিচয়। শরীয়তে তা হারাম নয়। ঘর বা রুম বন্ধ থাকলে এবং সেখানে স্বামী-স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ না থাকলে পর্দার দরকার নাই। স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের লেবাস বা পোশাক। উভয়ে উভয়ের সব কিছু দেখতে পারে। মহান আল্লাহ বলেছেন, যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। অতঃপর কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা সীমালংঘনকারী হবে।
কিন্তু সংসার কোন ছেলেখেলা নয়। এখানে একজন স্বামীকে অবশ্যই ছোট বড় সব বিষয়গুলোর দিকেই নজর রাখতে হবে। ধীরে ধীরে চেষ্টার পরেই হওয়া যায় আদর্শ স্বামী, প্রকৃত বন্ধু। মনে রাখবেন প্রেম শুধু শরীরেই বাস করে না। প্রেমের ক্ষেত্রে মন শরীর দুটোই লাগে। মন থেকে আপনার স্ত্রীকে ভালবাসুন। তার কানের কাছে মুখ নিয়ে বারবার ভালোবাসার কথাগুলো বলুন। তার প্রশংসা করুন। তাকে সময় দিন। তাকে নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যান। তার সাথে গল্প করুন।
মাঝে মাঝে তার জন্য উপহার নিয়ে আসুন। মনে রাখবেন রোমান্সকে কখনই শুধু বেডরুমের মধ্যে আবদ্ধ রাখবেন না। ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দিন, আর আপনার সেই ভালোবাসার সবটুকু জুড়ে থাকুক আপনার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রীর মিলনের আগে স্বামীর কিছু কর্তব্য থাকে যা আপনার সহবাসকে আরো তৃপ্তি দিতে পারে। সেরকমই ১০ টি বিষয় তুলে ধরা হলো-
১। পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।
২। কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতে হবে।
৩। চুম্বন, আলিঙ্গন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের কর্তব্য।
৪। নারী ধীরে ধীরে আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনও সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়।
৫। নারী কখনও নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।
৬। নারীর কর্তৃব্য সর্বদা পতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলা।
৭। পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।
৮। নারীর কর্তৃব্য স্বামীর চুম্বন, দংশন ও আলিঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।
৯। নারীর পূর্ণ কামভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।
১০। নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাৎ আবার তা অকস্মাৎ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।

মুখে দুর্গন্ধ দূর করুন মাত্র ৭টি উপায়ে (The only way of eliminating bad breath 7)

মুখে বা নিশ্বাসের দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস (Halitosis) একটি বিব্রতকর সমস্যা। এ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য কী কী করতে হবে, জেনে নিন:

১. বাজারে অনেক ধরনের মাউথ ওয়াশ পাওয়া যায়। তবে অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়। এটা মুখগহ্বরকে শুষ্ক করে তোলে এবং এতে ব্যাকটেরিয়া বেশি জন্মায়। বরং প্রাকৃতিক মাউথওয়াশ হালকা গরম লবণ মেশানো পানি দিয়ে কুলিকুচি করতে পারেন।
২. সজীব নিশ্বাসের জন্য দাঁত ব্রাশ করার সময় টুথব্রাশে যোগ করা যেতে পারে কয়েক ফোঁটা চা পাতার তেল অথবা পুদিনার তেল।
৩. যাঁরা মুখের দুর্গন্ধে ভুগছেন, প্রতিবার খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলকুচি করুন। তাহলে মুখের ভেতরে জমে থাকা খাবারের কণাগুলো বেরিয়ে যাবে।
৪. বেশির ভাগ মানুষ শুধু তাঁদের দাঁত পরিষ্কার করেন, কিন্তু জিব পরিষ্কার করেন না। কিন্তু সেটাও জরুরি।
৫. যাঁদের মুখগহ্বর বেশি শুষ্ক, তাঁরা মুখের দুর্গন্ধের সমস্যায় বেশি ভোগেন। এ ক্ষেত্রে অল্প অল্প করে বারবার প্রচুর পানি পান করতে হবে।
৬. ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহলও মুখের শুষ্কতার জন্য দায়ী।
৭. নিকোটিন হচ্ছে সবচেয়ে বড় শত্রু। এটি দাঁত ও জিহ্বাতে জমে যায়। ধূমপান মুখের ভেতরটাকে বেশি শুষ্ক করে তোলে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে লালাও তৈরি হতে পারে না।

গর্ভাবস্থায় ঝুঁকি-Pregnancy Care Advice in Bangla

Pregnancy Care Advice in Bangla

একটি কথা প্রায়ই শোনা যায়, ‘আমার স্ত্রীতো অসুস্থ’ বা অমুক ভাবী, খালা অসুস্থ’। কেন, কী হয়েছে, কেন জানেন না, উনার তো বাচ্চা হবে। মেয়ে মাত্ররই তো মা হবে, এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম। এটা তো আর ৫-১০টা রোগের মতো অসুস্থতা নয়। বাচ্চা হওয়াটা শরীরের একটা অবস্থা মাত্র। এটা কোন রোগ নয়। কাজেই প্রথম থেকে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলা উচিত এই ভাবনা।
এজন্যই চিকিত্সকগণ বলেন, মা হওয়ার আগে শারীরিক-মানসিক প্রস্তুতির বিশেষ প্রয়োজন আছে।  প্রাপ্ত বয়স্ক একজন নারী যখন মানসিকভাবে প্রস্তুত হবেন মা হওয়ার জন্য তখনই তার সন্তানধারণ করা উচিত। তার আগে নয়। কাজেই সন্তান ধারণের আগে একজন মায়ের যেমন প্রস্তুতি আছে, তেমনি পরিবারের আর সবারও আছে। নিচে গর্ভকালীন কিছু জটিলতার কথা উল্লেখ করা হলো। নূন্যতম প্রস্তুতি এবং সচেতনতা থাকলেও এগুলো মোকাবিলা করা তেমন কোন সমস্যা নয়। তবে জানা থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-
  • রক্ত স্বল্পতা, জন্ডিস, খিঁচুনি, পা ফুলে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত বমি হওয়া, পেটে ব্যথা, বিশেষ করে তলপেটে ও শ্বাসকষ্ট হওয়া।
  • প্রায়ই জবর হওয়া
  • ডায়াবেটিস ধরা পড়া বা রক্তে সুগার পাওয়া
  • প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হওয়া
  • প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া বা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাওয়া
  • দিন যাচ্ছে কিন্তু তলপেটের আকার বাড়ছে না
  • যোনিপথে রক্ত ক্ষরণ, রক্তস্রাব, দুরগন্ধযুক্ত স্রাব
  • জরায়ুর ভিতরে সন্তানে চড়াচড়া অনুভব করতে না পারা।
উপরোক্ত এই সমস্যাগুলো দেখা দিলে কোন রকম চিন্তা না করে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরী।

কি কি কারণে গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে

আগেই বলেছি মা হওয়ার জন্য বয়সটা খুব জরুরি।
  • ১৮ বছর বয়স না হতেই গর্ভধারণ
  • ৩০ বছরের পর প্রথম সন্তান নেয়া
  • ৪০ বছরের পর সন্তান ধারণ
  • চতুর্থ সন্তানের পর আবারও সন্তান ধারণ
  • আগের গর্ভের সময় জটিলতা হওয়া
  • অস্ত্রোপচারের পর নির্দিষ্ট সময় পার না হতেই আবার গর্ভধারণ করা।
  • মেয়েদের উচ্চতা, তুলনামূলক বেঁটে বা খাটো মেয়েদের গর্ভধারণ
  • রক্তস্বল্পতা ও যমজ সন্তান ধারণ।
গর্ভাবস্থায় প্রিএক্লামশিয়া (Pre Eclampsia)
এটি একটি অন্যতম জটিলতা। এক্ষেত্রে মায়ের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, প্রস্রাবে প্রোটিন, উপরের পেটে ব্যথা, বমি হওয়া, মাথা ব্যথা ইত্যাদি দৃশ্যত বেশ কিছু জটিলতা এসময় তৈরি হয়। গর্ভফুল বা প্লাসেন্টার কিছু সমস্যা এবং রক্ত সরবরাহের ঘাটতির কারণে দেখা দেয় এই এক্লামশিয়া। এগুলে া সাধারণত: হয় তখনই যখন আপনি প্রথম বারের মত মা হচ্ছেন, আপনার ওজন বেশি, বয়স ৪০ এর বেশি, আপনার উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অথবা কিডনির সমস্যা আছে। আপনার পরিবারের অন্য কারো এক্লামশিয়া ছিলো অথবা আপনি বহুবার অন্তসত্মা হয়েছেন।
গর্ভফুল বা প্লাসেন্টা সমস্যা
সাধারণত: এর কোন লক্ষণ দেখা যায় না। একমাত্র স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমেই এটা ডায়াগনসিস করা সম্ভব হয়। তবে যোনিপথে রক্তক্ষরণ হলে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। গর্ভফুল সাধারণত আংশিক বা পুরোপুরি ঢেকে ফেলে জরায়ুর মুখকে। প্রস্রব ব্যথা শুরুর পর জরায়ুর মুখ যখন খুলে যায়, তখন গর্ভফুল ক্রমেই সরে আসতে থাকে গর্ভাশয়ের দেয়াল থেকে। এসময়টা তাদের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ যারা অধিক সন্তান জন্ম দিয়েছেন, জরায়ুতে এর আগে অপারেশন করা হয়েছে অথবা আগের সন্তান যদি সিজারিয়ান-এর মাধ্যমে হয়ে থাকে।
গর্ভাবস্থায় রিলাক্সিন হরমোন জয়েনগুলোকে অনেকটাই শিথিল করে দেয়। কিন্তু এটা যদি বেশি পরিমাণে হয়, তখন তা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন-কোমরের জয়েন্টের ওপরে ব্যথা, পিউবিক হাড় এবং পিঠের নিচে ব্যথা হতে পারে এ কারণে। গর্ভাবস্থায় যে কোনো সময়ে এটি হতে পারে। তবে প্রথম তিন মাসের পর এটি হতে দেখা যায়।
গর্ভাবস্থায় চুলকানি
অনেকের গর্ভাবস্থায় হাতে-পায়ে  হতে পারে। এটা সাধারণত যকৃতের সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। এটা যে কারও হতে পারে। তবে পরিবারের মা বা বোনের এরকম ইতিহাস থাকলে এটা হওয়া খুবই স্বাভাবিক।
গর্ভাবস্থায় মায়ের ওজন
এটি একটি অন্যতম বিবেচ্য বিষয়। নির্দিষ্ট অনুপাতে ওজন না বাড়া হচ্ছে সন্তানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হওয়া বা মায়ের সঠিক পুষ্টির অভাব। এর মানে মাকে প্রয়োজনীয় খাবারগুলো সুষম খাবার খাওয়া একান্ত আবশ্যক। একজন নারীর স্বাভাবিক অবস্থায় যে পরিমাণ সুষম খাবার প্রয়োজন, সেই তিনিই যখন সন্তান ধারণ করেন তখন তার চাহিদা আরও বেড়ে যায়। প্রসূতি মায়েদের ক্ষেত্রেই খাবারটা খুবই জরুরি।
গর্ভবতী নারীর অতিরিক্ত খাবার প্রয়োজন হয় প্রধানত: দুটি কারণে।
এক-নিজের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে, অর্থ্যাত্ আসন্ন সন্তান প্রসবের জন্য নিজেকে তৈরি করতে।
দুই-গর্ভস্থ ভ্রুণের গঠন ও বৃদ্ধি ঠিক রাখতে।
মা যদি খাবার কম খান তাহলে সন্তানের ওজনও বাড়বে না, প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে। শেষ পর্যন্ত একটি অপরিণত শিশুর জন্ম হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, যেকোন জটিলতা এড়াতে নিয়মিত চিকিত্সকের কাছে যাওয়ার কোন বিকল্প নেই। যেকোন কিছুই হোক না কেন, তা চেক-আপে ধরা পড়বেই। আর তাহলে চিকিত্সাও সম্ভব হবে। আর রোগীর মনকেও অনেকখানি প্রশান্তি দেওয়া সম্ভব হবে। সুতরাং একটি সুস্থ-সুন্দর ভবিষ্যত গড়তে মায়েদের প্রতি যত্নশীল হওয়ার কোন বিকল্প নেই।


Tuesday, November 29, 2016

হাতের পেশী কিভাবে বাড়ানো বা মোটা করা যায়?( Muscle Increase of Arm

প্রচুর ক্যালরী সমৃদ্দ খাবার গ্রহন করুন নিয়মিত। সেই সাথে হাতের ব্যায়াম করার জন্য ডাম্বেল ব্যবহার করতে পারেন। সকালে খালি পেটে কাচাছোলা খাবেন প্রতিদিন। দেহে পরিমিত খাদ্য গ্রহনের পাশাপাশি নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ব্যায়ামে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে কিনা সেটাও খেয়াল রাখুন...
‍পুষ্টিকর খাদ্য, সঠিক নিয়মে প্রতিদিন ব্যায়াম, পরিমিত ঘুম এই তিনটি বিষয় ঠিকমতো মেইনটেইন করতে পারলে দেহকে যেকোন শেপে গড়ে তোলা সম্ভব। আরো ভালো হয় কোন অভিজ্ঞ জিম ইন্সট্রাক্টর থেকে পরামর্শ নিয়ে সে মোতাবেক কাজ করলে। 
সকলেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চান। সুস্বাস্থ্যের ব্যাপারটা নারী পুরুষ ভেদে একটু আলাদা । এই ভিন্নতার কারন হচ্ছে সুস্বাস্থ্যের সংজ্ঞা একেক জনের কাছে এক এক রকম। মেয়েদের ক্ষেত্রে মেদহীন ছিপছিপে গড়নের দেহকে সুস্বাস্থ্য মনে করা হয়। আর পুরুষদের ক্ষেত্রে মেদহীন পেশী বহুল দেহকে সুস্বাস্থ্য হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু প্রকৃত সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বলতে মানসিক ও শারিরীক ভাবে রোগমুক্ত,কর্মোদ্দ্যমী, প্রচুর প্রানশক্তি সম্পন্ন ব্যাক্তিকে বুঝায়। আপনার পেশী বহুল দেহ আছে কিন্তু সে তুলনায় প্রানশক্তি বা স্ট্যামিনা, ভারসাম্যতা, নমনীয়তা এগুলো অনেক কম তাহলে আপনাকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বলা যাবে না। যেসকল তরুন সুন্দর পেশী বহুল দেহের পাশাপাশি সুস্বাস্থ্যের সব গুলি বৈশিষ্ট্য ধারন করতে চান তাদের জন্য কতগুলি চমৎকার ব্যায়ামের বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হল।
পিস্তল স্কোয়াট কেন করবেন    
 এই ব্যায়ামটি রক্ত সঞ্চালন এবং দ্রুত চর্বি পোড়ানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। পাশাপাশি পরবর্তী ব্যায়াম গুলোর জন্য আপনার শরীরকে প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে। সেজন্য একে “অ্যাকটিভ ওয়ার্ম আপ” ও বলা হয়। আপনার শরীরের বৃহৎ পেশীগুলোকে মজবুত করবে। সেই সাথে ব্যালেন্স , স্ট্যাবিলিটি এবং ফেক্সিবিলিটিও উন্নত করবে। কিভাবে করবেন – এই ব্যায়ামটির জন্য প্রয়োজন প্রচুর ভারসাম্য শক্তি। শুরুতে আপনার ব্যালেন্সের সমস্যা হবে। তাই আপনি প্রথম প্রথম দেয়ালের কাছে প্রায় পিঠ ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ব্যায়ামটি চর্চা করতে পারেন। সোজা হয়ে দাঁড়ান। এরপর এক পায়ে দাঁড়িয়ে অন্য পা’টিকে সোজা রেখে যথাসম্ভব উপরের দিকে তুলুন (১)। তারপর অন্য পায়ের উপর ভর করে ধীরে ধীরে নিচে বসতে থাকুন যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার নিতম্ব পায়ের গোড়ালী স্পর্শ না করছে
(২)। এরপর এক পায়ে ভর দিয়ে আবার সোজা হয়ে দাঁড়ান। আপনার চেষ্টা থাকবে যেন দেয়ালের সাথে আপনার শরীরের স্পর্শ কম হয়।
নিয়মিত চর্চা করলে প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যেই আপনি কোন কিছুর সাহায্য ছাড়াই এই ব্যায়ামটি করতে পারবেন। ব্যায়ামটি তিনটি সেটে করুন। প্রথম ও দ্বিতীয় সেটে ১৪ বার করুন। তৃতীয় সেটে ১২ বার করুন। প্রতি সেটের মাঝে ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন।

থ্রী পয়েন্ট বার্পি জ্যাকনাইফ কেন করবেন
এর সাইড টু সাইড মুভমেন্ট আর কিছুটা ঘূর্ণনের কারনে পেটের ভালো ব্যায়াম হবে এবং হাঁটুর শক্তি বৃদ্ধি পাবে । পাশাপাশি লাফানোর কারনে কার্ডিও ফিটনেসও বৃদ্ধি পাবে। কিভাবে করবেন – প্রেস আপ পজিশন নিন
(১)। হাত দুটোকে ফ্লোরে রেখে এক লাফে পা দুটোকে আপনার হাতের ডানদিকে বুকের কাছে আনুন। যখন আপনার পা মেঝেতে এসে নামবে তখনই সোজা উপরের দিকে লাফ দিয়ে শুন্যে উঠে যান
(২)। আবার যখন মেঝেতে পা ফেলবেন তখন পা দুটি সোজা করে প্রেস আপ পজিশনে ফিরে যান। এবার একই ভাবে বাম দিক থেকে করুন
(৩)। এভাবে বার বার করুন। প্রথম ১০বার করার পরে একটু ব্যাথা হতে পারে কিন্তু পরে ঠিক হয়ে যাবে। তিনটি সেটের মধ্যে প্রথম দুই সেটে ২০বার করুন। তৃতীয় সেটে ১৬বার করুন। প্রতি সেটের মাঝে ৩০সেকেন্ড বিশ্রাম নিন।
ল্যাটারেল ওয়াল ওয়াক কেন করবেন
এর মুভ গুলোতে শরীরের উপরের অংশে ব্যায়াম হয় যা বারবেলের মত সমান কার্যকর। কাঁধ আর বাহুতেও কাজ করে। কিভাবে করবেন – প্রথমে দেয়ালের কাছাকাছি পেছন ফিরে সোজা হয়ে দাঁড়ান। তারপরে হাত দুটিকে কাঁধের দু’ পাশে মেঝেতে রাখুন। এবার দু’হাতে ভর করে দেয়াল বেয়ে পা দুটোকে উপরে তুলুন ৭০ ডিগ্রী পযর্ন্ত। এই অবস্থায় ছোট ছোট পদক্ষেপে হাত ও পা দিয়ে পার্শ্ব বরাবর হাঁটুন। একটি নির্দিষ্ট দুরত্ব পর্যন্ত এগিয়ে যান এবং আবার আগের জায়গায় ফিরে আসুন। তিনটি সেটে ব্যায়ামটি করতে হবে। তিনবার করার পর অল্প কিছুক্ষন লাফাতে হবে পরবর্তী ব্যায়ামটি করার জন্য।
সেট১ম২য়৩য়
দূরত্ব১০মিটার১০ মিটার৫মিটার
বিশ্রাম৩০ সেকেন্ড৩০ সেকেন্ড 
স্পেসম্যান জাম্প
এটি আরেকটি জাম্পিং মুভের ব্যায়াম যা ওয়াল ওয়াকের পরে আপনার শরীরকে আবার সোজা করবে। এখানে আপনার দেহের ভারের গতি হ্রাস করতে হবে কৌনিক ভাবে। ফলে আপনার দেহে হরমোন বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি পরবর্তী ব্যায়াম গুলো করার জন্য প্রয়োজনীয় স্ট্যামিনাও ফিরে পাবেন।   কিভাবে করবেন – দু’পায়ের মাঝে ফুট খানেক ফাঁক রেখে সোজা হয়ে দাঁড়ান। তারপরে সামান্য হাঁটু ভেঙ্গে সামনের দিকে ঝুঁকে পরে ডান পায়ে জোরে লাফ দিয়ে উপরে উঠুন যাতে ডান পা উপরে আর বাম পা নিচে থাকে। মেঝেতে পড়ার সময় বাম পা দিয়ে নামুন এবং সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার বাম পায়ে লাফ দিন আর ডান পায়ে নামুন। তিনটি সেটে ব্যায়ামটি করুন। প্রতি সেটে ৩০ সেকেন্ড করে করুন এবং ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিন।
পায়ের পেশীর জন্য এটি একটি চমৎকার ব্যায়াম। তাছাড়া পায়ের পেশীতে অতিরিক্ত ক্যালরী পোড়ানোর ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর। কিভাবে – দু’ পা ফাঁক করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। এবার ধীরে ধীরে নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ুন। লাফ দিয়ে আপনাকে সামনে গিয়ে পড়তে হবে। তাই লাফ দিয়ে আপনার সর্বোচ্চ উঁচুতে উঠতে যতটুকু নিচে নামতে হবে ঠিক ততটুকুই নিচে দিকে নামুন। ব্যায়ামটি ভালভাবে করার জন্য আপনার হাত দুটোকে সামনের দিকে তুলে দিন। যতটুকু নিচে ঝুঁকে লাফ দিয়ে উপড়ে ছিলেন ঠিক ততটুকু নিচে ঝুঁকে লাফিয়ে পড়ুন। এবার ঘুরে দাঁড়িয়ে এক লাফে স্টার্টিং পজিশনে ফিরে আসুন। তিনটি সেটে ব্যায়ামটি করুন।                                                           

Male Skin Tips – ছেলেরা ঘুমানোর আগে যেভাবে Skin এর যত্ন নেবেন(Skin will take care of the children before going to bed)

আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ততম জীবনে পুরুষদের ত্বকের যত্ন নেয়া হয় না। দিনভর কাজ, ধুলাবালি, রাস্তার কালো ধোয়া, রোদের তাপ সব শেষে বাসায় ফিরে আয়নার নিজের চেহারা দেখে অবাক হওয়াটা শুধু বাকি থাকে। মুখে কালো ছোপ আর ধুলাবালিতে চেহারার উজ্জ্বলতা কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে।
প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে উজ্জ্বল করতে শসা খুব উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার আগে শসার টুকরো দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। প্রতিদিন ব্যবহারে ত্বক অনেক পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া শসার রস ত্বকে প্রাকিতিক মশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।
এক চামচ কাঁচা হলুদের সঙ্গে কাঁচা দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে সম্পূর্ণ মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। কাঁচা হলুদ ত্বকের কোমলতা ধরে রাখে এবং কাঁচা দুধ স্কিনের কমপ্লেকশনকে আরো ফর্সা করতে সাহায্য করে।
এলোভেরার জেলোতে প্রচুর পরিমাণে আন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী। সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন এলোভেরা জেলো মুখে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের করে ত্বককে আরো উজ্জ্বল করে তোলে।

স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বক
এ ধরনের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ত্বক উপযোগী ক্লিনজিং জেল বা ফোম ব্যবহার করা উচিত। ত্বক নরম ও মসৃণ থাকবে। ক্লিনজার নিয়ে হালকাভাবে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। তারপর ভেজা তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন। ভেজা তুলা ব্যবহার করলে ত্বকের ময়েশ্চার বজায় থাকবে ভালোভাবে।
ক্লিনজিংয়ের (Cleanser) পর জরুরি টোনিং (Toning)। ভিজা তুলা দিয়ে স্কিন টোনার লাগান। টোনারের বদলে গোলাপ পানিও ব্যবহার করতে পারেন। টোনিংয়ের পর রিশিং ক্রিম বা পাইট ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক যদি বেশি শুষ্ক প্রকৃতির হলে ক্রিম লাগানোর পর হালকা ময়েশ্চারাইজিং লোশন ( Moisturising lotion) লাগাতে পারেন, না হলে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর দরকার নেই।
সেনসেটিভ ত্বক
ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলে মেডিকেটেড সোপ বা ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো। ত্বকের অতিরিক্ত তেল সরিয়ে আপনার ত্বককে ফ্রেস রাখবে। এছাড়া ব্রণ কমাতে চন্দনবাটা সারারাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। স্যালাইসিলিক অ্যাসিডসমৃদ্ধ ক্রিম লাগাতে পারেন। তবে এতে ত্বকে টানভাব দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুরো মুখে অ্যালোভেরা জেল হালকা করে লাগাতে পারেন। ক্লে মাক্সও লাগাতে পারেন। খুব ঠাণ্ডা বা গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়া উচিত নয়। মুখ পরিষ্কার করার পর ভালো করে পানি দিয়ে মুখ ধোবেন। বিশেষ করে ত্বক তৈলাক্ত প্রকৃতির হলে মুখ ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে নেবেন। ত্বক শুষ্ক ধরনের হলে অ্যালোভেরা, লেবুসমৃদ্ধ সাবান ব্যবহার করবেন না। এছাড়া ত্বকে ব্রণ থাকলে লেবু জাতীয় কিছু সরাসরি না লাগানোই ভালো।
তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বক
এ ধরনের ত্বকের জন্য ভালো ক্লিনজিং লোশন বা ক্লিনজিং মিল্ক (Cleansing Milk) মুখে ভালোভাবে লাগানোর পর ভিজা তুলা দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। সাবানবিহীন ক্লিনজার বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। সাবানের মতো ফেসওয়াশ হাতে নিয়ে মুখে লাগাবেন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর টোনার বা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট (Astringent) লাগান। তৈলাক্ত ত্বকে নারিশিং ক্রিম ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে ত্বক আরও তৈলাক্ত হয়ে যেতে পারে এবং রোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন। মিশ্র প্রকৃতির ত্বকের শুষ্ক অংশে নারিশিং ক্রিমও ব্যবহার করতে পারেন।